কিভাবে একটি গুগল ড্রাইভ থেকে অন্য গুগল ড্রাইভে ফাইল শেয়ার করতে হয়? গুগল ড্রাইভ কতটা নিরাপদ

0

আগের আর্টিকেলে গুগল ড্রাইভ কি ? গুগল ড্রাইভ কিভাবে ব্যবহার করে? ড্যাশবোর্ড পরিচিতি ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করেছি । আজকের আর্টিকেলে আমি গুগল ড্রাইভ কতটা নিরাপদ এক গুগল ড্রাইভ থেকে অন্য গুগল ড্রাইভে কিভাবে ফাইল শেয়ার করতে হয় , গুগল ড্রাইভ দিয়ে কিভাবে ফটো এডিটিং করতে হয়,  গুগল ড্রাইভ থেকে কিভাবে ডাউনলোড করতে হয় এগুলো নিয়ে আলোচনা করব। আপনি যদি প্রথম আর্টিকেলটি না পড়ে থাকেন তাহলে এখান থেকে পড়ে আসতে পারেন।

কিভাবে একটি গুগল ড্রাইভ থেকে অন্য গুগল ড্রাইভে ফাইল শেয়ার করতে হয়? গুগল ড্রাইভ কতটা নিরাপদ
কিভাবে একটি গুগল ড্রাইভ থেকে অন্য গুগল ড্রাইভে ফাইল শেয়ার করতে হয়? গুগল ড্রাইভ কতটা নিরাপদ


গুগল ড্রাইভ কতটা নিরাপদ

গুগল ড্রাইভে এত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য , ডুকুমেন্ট রাখা হবে তাই আপনার অবশ্যই জানা দরকার গুগল ড্রাইভ আসলে কতটা নিরাপদ । গুগল ড্রাইভ যদি নিরাপদ না হয় তাহলে কিভাবে আপনি এত গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট রাখবেন । চলুন জেনে নিই, গুগল ড্রাইভ কতটা নিরাপদ। 

গুগল একটি বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সফটওয়্যার ইত্যাদি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান । গুগল ড্রাইভে এক কথাতেই বিশ্বস্ত কারণ গুগলের সিকিউরিটি সিস্টেম এতটাই জটিল এবং এতটাই শক্তিশালী যে যেকোন হ্যাকার বলেন কিংবা যেগুলো দুষ্কৃতিকারী কারোর পক্ষে গুগলের নিরাপত্তা দেয়াল ভেঙে গুগল থেকে ডকুমেন্ট চুরি করা পারত পক্ষে সম্ভব নয় তাই আপনি গুগলকে বা গুগল ড্রাইভ কে বিশ্বস্ত ভাবতে পারেন।  

বিশ্বস্ত ভাবা যৌক্তিক। আপনি যদি বোকামি না করেন এবং গুগলের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য যে সিকিউরিটি সিস্টেম তৈরি করে রেখেছে তার সবগুলো সুন্দরভাবে এবং পারদর্শিতার সাথে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে কারো পক্ষে আপনার তথ্য চুরি করা বা নষ্ট করা সম্ভব না কিন্তু আপনি যদি বোকার মত কিছু পদক্ষেপ নেন তাহলে গুগল ড্রাইভ আপনার জন্য বড় হুমকির কারণ হতে পারে । কিভাবে চলুন জেনে নিন,,,


গুগল ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করার জন্য ১৫ জিবিকারো পক্ষে আপনার তথ্য চুরি করা বা নষ্ট করা সম্ভব না কিন্তু আপনি যদি বোকার মত কিছু পদক্ষেপ নেন তাহলে গুগল ড্রাইভ আপনার জন্য বড় হুমকির কারণ হতে পারে স্টোরেজ বিনামূল্যে দিয়ে থাকে। কিন্তু ব্যবসায়ীক কিংবা অন্যান্য কাজের জন্য ১৫ জিবির বেশি ব্যবহার করার প্রয়োজন হলে গুগল ড্রাইভকে কিছু পরিমাণ টাকা দিয়ে তাদের থেকে স্টোরেজ কিনে নিতে হয়। আর গুগলকে প্রতি মাসে ১০০ জিবি স্টোরেজের জন্য ৳১৮০ টাকা থেকে ৳২০০ টাকা পর্যন্ত পে করা লাগে। এটা হয়তো খুব বেশি টাকা না তারপরেও অনেকে থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট থেকে গুগল ড্রাইভের স্টোরেজ কিনে থাকেন ।

থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট কি করে? তারা ১০০ জিবি স্পেস আজীবনের জন্য ৳১০০-১৫০ টাকাতে দিয়ে দেয়। আর তাদের থেকে স্টোরেজ কিনে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে থাকেন। আপনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাইল আপলোড করেন। এরকম থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট থেকে গুগল ড্রাইভ  স্টোরেজঃ কিনলে আপনার তথ্য বা ফাইল বা ডকুমেন্ট হুমকির মুখে থাকে কারণ আপনার এইসব ফাইলের অ্যাক্সেস অন্যদের হাতে চলে যাই। তারা চাইলে আপনার ডকুমেন্ট সব রকমের ব্যবহার করতে , ডিলিট করতে , সবকিছু করতে পারে । এই জন্য আপনার ডকুমেন্টের গোপনীয়তা নষ্ট হয়ে যায়।

থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট আপনাদেরকে গুগল ড্রাইভের যে স্পেস দেয় সেটা অনেকটা শেয়ারিং করার মতো। থার্ড পার্টি ওয়েবসাইটের মালিকেরা করে কি তারা বিভিন্ন বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ইউনিভার্সিটির গুগল ড্রাইভ থেকে এক্সেস নিয়ে, তাদের সেই স্পেসকে আপনার কাছে টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে , এতে তাদের আর্থিকভাবে লাভ হয় আর আপনার ডকুমেন্টকে তাদের স্টোরেজে রাখার অনুমতি প্রদান করে। আপাত দৃষ্টিতে আপনার কাছে মনে হতে পারে তা ভালই তো আমি একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান স্টোরেজে আমার ডেটাগুলো রাখছি সমস্যা কোথায়? তাদের সাথে আমার ডাটা  নিরাপদে সংরক্ষিত থাকবে।


কিন্তু আসলে তারা যে স্টোরেজ দেয় সেই স্টোরেজের সকল ফাইল তাদের অধীনে থাকা অন্যান্য ব্যক্তিরও এক্সেস থাকে ফলে আপনার ডকুমেন্ট সেখানে নিরাপদে সংরক্ষিত থাকে না। অনেকেই তাদের ইচ্ছামতো ব্যবহার করতে পারে। আর একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা, গুগল ড্রাইভের তথ্য গুগল ড্রাইভ যারা পরিচালনা করেন তাদেরও আপনার ফাইল বা ডকুমেন্টের উপর কোন অ্যাক্সেস নেই । যদিও কোনো কারণে আপনার ফাইলে তাদের দেখার প্রয়োজন হয় তার পরেও তাঁদেরকে অনেক নিয়ম নীতি অনুসরণ করে খুব অল্প সময়ের জন্য তারা আপনার ডকুমেন্ট চেক করতে পারে তবে এটা খুব রেয়ার। সাধারণভাবে বলতে গেলে গুগল ড্রাইভ যারা পরিচালনা করেন তারাও আপনার ডকুমেন্টের আ্যাক্সেস নিতে পারে না।

তাহলে বুঝতেই পারছেন গুগল ড্রাইভ আপনার জন্য কতটা বেশি নিরাপদ।

গুগল ড্রাইভ থেকে কিভাবে ডাউনলোড করতে হয়?

গুগল ড্রাইভে ডকমেন্ট আপলোড করার পর প্রয়োজন অনুসারে সে ডকুমেন্টকে আবার পুনরায় ডাউনলোড করার প্রয়োজন হতে পারে। আর প্রয়োজন হলে আপনি গুগল ড্রাইভ থেকে আপনার ফাইল ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। তো চলুন গুগল ড্রাইভ থেকে কিভাবে ডাউনলোড করতে হয় তা শিখিয়ে দিই, গুগল ড্রাইভ থেকে যে কোন কিছু ডাউনলোড করা একদম সহজ মাত্র তিনটি ধাপ অনুসরণ করে গুগল ড্রাইভ থেকে আপনার ফোনে বা কম্পিউটারে কাঙ্খিত ডকুমেন্ট ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

ধাপ ১ :- প্রথমে গুগল ড্রাইভের হোমপেজের যে ফাইলটি ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন সেই ফাইলটি খুঁজে বের করে তার ডান সাইডে নিচের পিকচারের মতো করে তিন ডটে ক্লিক করুন।

গুগল ড্রাইভ থেকে কিভাবে ডাউনলোড করতে হয়?
গুগল ড্রাইভ থেকে ফাইল ডাউনলোড - তিন ডটে ক্লিক



ধাপ ২:- এবার একটি ড্রপডাউন মেনু আসবে সেই ড্রপডাউন এর নিচের দিকে ডাউনলোড লেখা আছে দেখবেন ।ডাউনলোড লেখাতে ক্লিক করুন।


গুগল ড্রাইভ থেকে কিভাবে ডাউনলোড করতে হয়?
গুগল ড্রাইভ থেকে ফাইল ডাউনলোড - ডাউনলোড বাটনে ক্লিক

ধাপ ৩:- এখন দেখুন ডাউনলোড শুরু হয়ে গেছে। কিছু সময় অপেক্ষা করলে দেখবেন আপনার কাঙ্খিত ফাইল ডাউনলোড হয়ে গেছে।


গুগল ড্রাইভ থেকে কিভাবে ডাউনলোড করতে হয়? ডাউনলোড হয়ে গেছে

তো শিখে গেলেন কিভাবে গুগল ড্রাইভ দিয়ে ফাইল ডাউনলোড করতে হয়।

গুগল ড্রাইভ দিয়ে ফটো এডিটিং

গুগল ড্রাইভ দিয়ে ফটো এডিট করা যায়। আশ্চর্য হবেন না ! গুগল ড্রাইভ দিয়ে শুধু ফটো এডিটিং নয় , ডকুমেন্ট তৈরি করা যায় , পড়া যায়। তবে আমি শুধু গুগল ড্রাইভ দিয়ে ফটো এডিটিং করা শেখাবো আর কিভাবে ডকুমেন্ট পড়তে হয় সেগুলো আপনি গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করতে করতে শিখে যাবেন।

গুগল ড্রাইভ দিয়ে ফটো এডিটিং করার জন্য প্রথমে যে ফটোটি এডিট করতে চান সে ফটোর উপরে ক্লিক করুন।

গুগল ড্রাইভ দিয়ে ফটো এডিটিং
গুগল ড্রাইভ দিয়ে ফটো এডিটিং - ফটোর উপর ক্লিক

ফটোর উপর ক্লিক করলে ডানদিকে নিচে একটি পেন্সিল আইকন আসবে সেই পেন্সিল আইকনে ক্লিক করুন।


গুগল ড্রাইভ দিয়ে ফটো এডিটিং
গুগল ড্রাইভ দিয়ে ফটো এডিটিং- পেন্সিল আইকনে ক্লিক


পেন্সিল আইকনে ক্লিক করার পর আপনার সামনে এডিটিং করার সকল অপশন চলে আসবে। আপনি চাইলে এটা দিয়ে উজ্জলতা বৃদ্ধি করতে পারেন , বিভিন্ন এডজাস্টমেন্ট ব্যবহার করতে পারেনি , ফিল্টার যোগ করতে পারেন , মার্ক করতে পারেন। এককথায় আপনার ইচ্ছামত এডিট করতে পারেন । এডিটিং করা শেষে  নিচের দিকে ডান পাশের সেভ বাটনে ক্লিক করে আপনার ফটোটি সংরক্ষণ করে নিন ।তাহলেই হয়ে গেল গুগল ড্রাইভ দিয়ে ফটো এডিটিং করা।


গুগল ড্রাইভ দিয়ে ফটো এডিটিং


এভাবে আপনি আপনার গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করে ফটো এডিটিং করতে পারেন যদিও এটি একটি খুবই বেসিক এডিটর তারপরও এটা দিয়ে আপনি চলনসই ডিজাইন তৈরি করে নিতে পারেন আপনার ফটোর।


কিভাবে এক ড্রাইভ থেকে অন্য গুগল ড্রাইভে ফাইল শেয়ার করতে হয়?

এখন আপনাকে শিখিয়ে দিই,  কিভাবে এক ড্রাইভ থেকে অন্য গুগল ড্রাইভ এ ফাইল শেয়ার করতে হয়। এভাবে ফাইল শেয়ার করার মাধ্যমে আপনি আপনার মেইন গুগল ড্রাইভ এর স্টোরেজ ব্যবহার করা ছাড়াই আপনার ড্রাইভে অন্য ড্রাইভে ফটো বা ডকুমেন্টের এক্সেস রাখতে পারবেন। 

এটা করার জন্য আবার আপনাকে গুগল ড্রাইভের হোম থেকে তিন ডটে ক্লিক  করতে হবে


গুগল ড্রাইভ ফটো শেয়ার
গুগল ড্রাইভ তিন ডটে ক্লিক

এবারে নিচের পিকচারে দেখানো মত করে শেয়ার এ ক্লিক করতে হবে।

কিভাবে এক ড্রাইভ থেকে অন্য গুগল ড্রাইভে ফাইল শেয়ার করতে হয়?



শেয়ার এ ক্লিক করার পর যে বক্সটি আসবে সেই বক্সে আপনার দ্বিতীয় ইমেইল ঠিকানাটি দিতে হবে।
কিভাবে এক ড্রাইভ থেকে অন্য গুগল ড্রাইভে ফাইল শেয়ার করতে হয়?
দ্বিতীয় ইমেইল ঠিকানা দেওয়ার পর Editor এ ক্লিক করতে হবে

কিভাবে এক ড্রাইভ থেকে অন্য গুগল ড্রাইভে ফাইল শেয়ার করতে হয়?


Editor এ ক্লিক করলে আপনি তিনটি অপশন পাবেন। প্রথম অপশনটি হচ্ছে ভিউয়ার , দ্বিতীয় অপশনটি হচ্ছে কমেন্টার এবং তৃতীয় অপশন হচ্ছে এডিটর। এডিটর অপশনটি ডিফল্ট ভাবে সিলেক্ট করা থাকে । আপনি এডিটরেই ক্লিক করবেন।  এখানে ক্লিক করলে আপনি আপনার অন্য আইডি থেকে এই ফাইল টি এডিট করতে পারবেন সে কারণে নিজের ক্ষেত্রে এডিটর নির্বাচন করায় বেশি ভালো । আর যদি অন্য কাউকে দিতে চান তাহলে সেটা ভিউয়ার সিলেক্ট করে শেয়ার করবেন।


কিভাবে এক ড্রাইভ থেকে অন্য গুগল ড্রাইভে ফাইল শেয়ার করতে হয়?


এরপরে যেখানে Message লেখা আছে সেখানে আপনি আপনার মেসেজ লিখুন । মেসেজ লিখার পরে ডান দিকের সেন্ড আইকনে ক্লিক করুন তাহলে আপনার সে ফাইলটি দ্বিতীয় গুগল ড্রাইভে চলে যাবে।


কিভাবে এক ড্রাইভ থেকে অন্য গুগল ড্রাইভে ফাইল শেয়ার করতে হয়?



এখন আপনার ড্রাইভের উপরের কর্নারে আপনার প্রোফাইলের উপর ক্লিক করে দ্বিতীয় ই-মেইলে লগইন করতে হবে।


কিভাবে এক ড্রাইভ থেকে অন্য গুগল ড্রাইভে ফাইল শেয়ার করতে হয়?


এখন আপনার জিমেইল টি  Editor হিসেবে সিলেক্ট করেছিলেন সেই ইমেইল নির্বাচন করুন।

কিভাবে এক ড্রাইভ থেকে অন্য গুগল ড্রাইভে ফাইল শেয়ার করতে হয়?


হয়ে গেছে দ্বিতীয় ইমেইল লগ ইন। এবার দ্বিতীয় গুগল ড্রাইভ এর নোটিফিকেশন অপশনে ক্লিক করতে হবে প্রথমে। এরপর নিচের দিকে দেখতে পাবেন যে আপনার সাথে ফাইলটি শেয়ার করা হয়েছে সেই ফাইলটি । এখন ফাইলের উপরে ক্লিক করে আপনি চাইলে ফাইলটি ডাউনলোড করতে পারবেন, এডিট করতে পারবেন , মানে আপনি ফাইলটার এক্সেস পাবেন।


কিভাবে এক ড্রাইভ থেকে অন্য গুগল ড্রাইভে ফাইল শেয়ার করতে হয়?

এইভাবে আপনি আপনার গুগল ড্রাইভ এর স্টোরেজ বাড়িয়ে নিতে পারেন কারণ এভাবে আপনি যতই ফাইল শেয়ার করে নেন না কেন তাতে আপনার আসল ড্রাইভের কোন স্পেস বা স্টোরেজ নষ্ট হবে না তাই আপনি এইভাবে আনলিমিটেড আপনার গুগল ড্রাইভের স্টোরেজ বাড়িয়ে নিতে পারবেন।
শেষ কথাঃ এই ছিল গুগোল ড্রাইভ নিয়ে বিস্তারিত কথা বার্তা। কেমন লাগলো আজকের আর্টিকেলটা কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই আমাকে জানাবেন। যদি কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে তাহলে তাও কমেন্টসের মাধ্যমে আমাকে জানাবেন। আর যদি আপনার গুগল ড্রাইভে কোন কিছু করতে গিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হন তাহলে আপনি আমাকে মন্তব্য করে জানান আমি আপনার মন্তব্যের উত্তর দেয়ার মাধ্যমে আপনার সমস্যাটি সমাধান করে দেব।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Accept !) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !